গুলি খেলা

Guli Khela • A little piece of childhood • বিকেলের রোদ, মাটির উঠোন

এখন খেলো

নিজের গুলির উপর চাপ দিয়ে পেছনে টানো, তারপর ছেড়ে দাও। গুলি উল্টো দিকে ছুটবে। প্রতিপক্ষের গুলিকে চকের বৃত্তের বাইরে বের করে দাও — বের হলেই সে এই রাউন্ড থেকে বাদ। অনলাইনে ২, ৩ বা ৪ জন একসঙ্গে খেলতে পারবে।

তোমার পালা — গুলি টেনে ছাড়ো
লেভেল:

প্রথমে ৩ পয়েন্ট পেলেই জয়।

নস্টালজিয়া গান এখন বাজছে: কোনো গান চলছে না

খেলার পেছনে নস্টালজিয়ার যন্ত্রসংগীত বাজবে — গেমের নিজের ভেতরেই, কোনো আলাদা প্লেয়ার ছাড়া। গুলি লাগার মুহূর্তে গান নিজে নিজে মৃদু হয়ে যাবে, যাতে টক্কর শব্দ পরিষ্কার শোনা যায়।

গানের সূত্র (সবগুলোই মুক্ত লাইসেন্সের): আমার সোনার বাংলা — US Navy Band, পাবলিক ডোমেইন • চল্‌ চল্‌ চল্‌ (নতুনের গান) — Vichycombo, CC BY-SA 4.0 • কফি হাউসের সেই আড্ডাটা (কীবোর্ড কভার) — CC BY 3.0 • রবীন্দ্রসংগীত পিয়ানো যন্ত্রসংগীত — Paramanu Sarkar, CC BY 4.0 — সবই Wikimedia Commons থেকে

খেলার নিয়ম

লক্ষ্য: প্রতিপক্ষের গুলি মেরে চকের বৃত্তের বাইরে বের করে দাও আর পয়েন্ট জেতো।

কীভাবে খেলবে: নিজের পালায় নিজের গুলির উপর চাপ দিয়ে পেছনে টানো — ড্যাশ লাইন দেখাবে কতটা টানছো, সাদা লাইন দেখাবে গুলি কোন দিকে যাবে। ছেড়ে দিলে গুলি উল্টো দিকে ছুটবে। যত লম্বা টান, শট তত জোরে (একটা সীমা পর্যন্ত)। দেয়ালে ঠেকলে গুলি ফিরে আসে, কিন্তু গতি কমে যায়।

পালা: একবারে একজনই শট মারতে পারে। সব গুলি থামলে পরের খেলোয়াড়ের পালা। বাদ পড়া খেলোয়াড়ের পালা আসে না।

পয়েন্টের নিয়ম:

• তোমার শটে প্রতিপক্ষের গুলি বৃত্তের বাইরে গেলে প্রতি গুলির জন্য তুমি ১ পয়েন্ট পাবে।
• বাইরে যাওয়া গুলি সেই রাউন্ডের জন্য বাদ — বোর্ড থেকে সরে যাবে।
• নিজের শটে নিজের গুলিই যদি বাইরে যায় আর প্রতিপক্ষের কোনো গুলি না যায়, তাহলে পয়েন্ট পাবে না (২ জনের খেলায় প্রতিপক্ষ ১ পয়েন্ট পাবে)।
• ফাউল: তোমার শটে প্রতিপক্ষের গুলি বের হলেও তোমার নিজের গুলিও যদি বেরিয়ে যায়, তাহলে সেই পয়েন্ট তুমি পাবে না — প্রতিপক্ষ পাবে।
• রাউন্ডে একজনই টিকে থাকলে রাউন্ড শেষ। ৩–৪ জনের খেলায় টিকে থাকা খেলোয়াড় ১ বোনাস পয়েন্ট পাবে। তারপর সব গুলি নিয়ে নতুন রাউন্ড শুরু হবে।

জয়: ২ জনের খেলায় প্রথমে ৩ পয়েন্ট, ৩–৪ জনের খেলায় প্রথমে ৫ পয়েন্ট পেলেই ম্যাচ জয়।

খেলার ধরন:

• কম্পিউটারের সঙ্গে: একা খেলো। কঠিনতা "সহজ" বা "কঠিন" বেছে নাও — কঠিনে কম্পিউটারের নিশানা অনেক নিখুঁত।
• একই ফোনে ২ জন: একই মোবাইলে পালা করে দুজন খেলো।
• অনলাইন (২–৪ জন): অনলাইনে খেলতে সবাইকে আগে নিজের একটা ইউনিক নাম লিখতে হবে — এক রুমে এক নাম দুজন নিতে পারবে না। লবিতে, স্কোরে আর পালার লেখায় সবার নাম দেখা যাবে। একজন "রুম তৈরি করো" চেপে কোডটা বন্ধুদের পাঠাবে (সর্বোচ্চ ৪ জন এক রুমে)। বাকিরা নাম লিখে কোড বসিয়ে "জয়েন করো" চাপবে। সবাই এলে হোস্ট "খেলা শুরু করো" চাপবে। শুধু হোস্টই ম্যাচ আবার শুরু করতে পারে। মাঝপথে কারো সংযোগ ছিন্ন হলে প্রায় দুই মিনিট অপেক্ষা করা হবে — তার মধ্যে ফিরে এলে (পেজ বন্ধ হয়ে গেলে একই নাম ও কোডে আবার জয়েন করলেও) খেলা চলবে; না ফিরলে তার গুলি বাদ হয়ে যাবে। ম্যাচ চলাকালে ট্যাবটা সামনে রেখো, স্ক্রিন লক করো না।

টিপস: সরাসরি না মেরে দেয়াল ঘেঁষে কোণ করে মারলে অনেক সময় সহজে বাইরে পাঠানো যায়। হালকা টানে গুলি থেমে যাওয়ার আগেই আবার নিশানা ঠিক করা যায়। সাউন্ড অন রাখলে গুলির টক্কর আর উঠোনের পাখির ডাক শুনতে পাবে।

স্মৃতির উঠোন

মাটির উঠোন, বিকেলের সোনালি রোদ, গাছের পাতার ছায়া আর পকেটে কয়েকটা রঙিন কাচের গুলি — এই খেলাটা সেই সময়ের একটা ছোট্ট টুকরো ফিরিয়ে আনার চেষ্টা। টানটান নিশানা, গুলির টক্কর শব্দ, আর বন্ধুদের হইচই — সবটাই এখানে।